স্পোর্টস
ডেস্ক: আরও একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ।
আজ(বুধবার)
১৫ অক্টোবর পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ৬-০ গোলের বিশাল জয়ে দুটি অ্যাসিস্ট করে তিনি পুরুষদের
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
দুটি
অ্যাসিস্টের মাধ্যমে মেসির আন্তর্জাতিক অ্যাসিস্ট সংখ্যা এখন ৬০-এ। এর মাধ্যমে মেসি
৫৮টি করে অ্যাসিস্ট করা নেইমার এবং ল্যান্ডন ডোনাভানকে ছাড়িয়ে গেলেন। এই অর্জনের ফলে,
নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারে ৪০০ অ্যাসিস্টের মাইলফলক থেকে মাত্র তিনটি অ্যাসিস্ট দূরে
আছেন মেসি।
শেষ
ম্যাচে ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে (মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির ঘরের মাঠ) আর্জেন্টিনা
এক দাপুটে জয় তুলে নেয়। এই ম্যাচে অধিনায়ক মেসি নিজে কোনো গোল না করলেও, আলেক্সিস মাক
আলিস্তার এবং লাউতারো মার্তিনেসকে দিয়ে গোল করান। ম্যাচে এই দুজনই দুটি করে গোল করেন
এবং বাকি গোলগুলো আসে গনসালো মন্তিয়েল ও একটি আত্মঘাতী গোল থেকে।
ফুটবল
ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে পরিচিত হলেও, একজন প্লে-মেকার হিসেবে মেসির সৃষ্টিশীলতা
ও দূরদর্শিতা সমানভাবে প্রশংসনীয়। ১৯ বছরেরও বেশি সময় আগে, ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে সার্বিয়া
ও মন্টিনিগ্রোর বিপক্ষে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যাসিস্টটি করেছিলেন তিনি।
ম্যাচের
প্রথমার্ধে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে মেসি তার ঝলক দেখান। বক্সের ভেতরে গনসালো মন্তিয়েলকে
একটি নিখুঁত পাস দিয়ে দলের গোলের খাতা খোলেন। পরে, তার একটি চতুর ব্যাক পাস থেকে লাউতারো
মার্তিনেস নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। মেসির নিখুঁত পাসিং, দূরদর্শিতা এবং কৌশলগত বুদ্ধিমত্তার
প্রমাণ দেয়, যা তাকে বিশ্ব ফুটবলে এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ম্যাচের
শুরুতে পুয়ের্তো রিকোর লিয়েন্দ্রো আন্তোনেত্তি একটি সুযোগ নষ্ট করলেও পুরো ম্যাচেই
আর্জেন্টিনার আধিপত্য ছিল। তবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একটি দূরপাল্লার
শট বাঁচিয়ে দলকে গোল খাওয়া থেকে রক্ষা করেন।
২০২৬
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মেসিকে ঘিরে প্রত্যাশা এখনও আকাশচুম্বী। সব মিলিয়ে মেসি এখন
পর্যন্ত ১ হাজার ১২৯টি ম্যাচে ৩৯৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন।