ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস, ৪ জুলাইয়ের সঙ্গে মিলে গেলেও এর পেছনে কোনো মার্কিন-সংশ্লিষ্ট বার্তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ ইসলামি।
কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহররমের
প্রথম ১০ দিনের শোকপর্ব শেষ হওয়ার পর। এই সময় শিয়া মুসলিমরা তৃতীয় ইমাম হুসাইন (আ.)-এর
শাহাদাত স্মরণ করেন।
মোহাম্মদ
ইসলামি বলেন, ইরানের জন্য সময়টি ধর্মীয় ও প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তাই দাফনের তারিখ
নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস কোনো বিবেচ্য বিষয় ছিল না।
তিনি
আরও বলেন, ইরান মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নিজেদের অনুসারীদের উদ্দেশে একটি বার্তা
দিতে চায়। সেই বার্তা হলো, আলী খামেনির শাহাদাতকে তারা ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের
আদর্শিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করছে।
AMDADUL HOQUE BHUIA